তমব্রু সীমান্ত থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে মিয়ানমার— ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে তারা টহল বাড়িয়েছিল জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার সকালে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
এছাড়া ২৭ মার্চ থেকে সীমান্তে বিজিবি-বিজিপি যৌথ টহল দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
গত বৃহস্পতিবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে সেনা টহল জোরদার করা হয়। জড়ো করা হয় ভারী অস্ত্র— এ নিয়ে শুক্রবার বিকেলে বিজিবি ও বিজিপির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গতকালের বৈঠক:
বাংলাদেশ সীমান্তে জিরো লাইনের ওপাশে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সমাবেশ এবং 'গুলির শব্দ' নিয়ে দু দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়েছে।
বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির ঘুনধুম সীমান্তে বৈঠকের পর বিজিবির কর্মকর্তা লেফটেন্যাস্ট কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খান সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের কর্মকর্তারা গুলির কথা অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, তমরু সীমান্তে জিরো লাইনের কাছাকাছি ফায়ারিং কেন হয়েছে একথা আমরা জিজ্ঞেস করেছি তারা বলেছেন তারা ফায়ার করেন নি।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুনধুম সীমান্তে শ'দুয়েক সেনা সমাবেশ করেছে মিয়ানমার - এ খবর বেরুনোর পর বাংলাদেশ তাদের সরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানায়।
লেফটেন্যাস্ট কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খান বলেন, মিয়ানমারের দিকে যারা আছে তারা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ইউনিফর্ম পরা- তাই আমরা বলতে পারছি না যে তারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর লোক।
তিনি আরো বলেন, তারা মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের বলেছেন যে সীমান্তে যা হচ্ছে তা বাংলাদেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে এবং সীমান্তে উত্তেজনা বাড়াবে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলেছেন তারা বিষয়টি দেখবেন।
নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুনধুম সীমান্তে এই জায়গাটিতে জিরো লাইনের ওপর প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী অনেকদিন ধরে আটকে আছে।