সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের দুর্নীতির অভিযোগ সুনির্দিষ্ট নয়— তবে এ অভিযোগের যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। সোমবার সকালে সবিচালয়ে এক বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন।
মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আগামী জুনের মধ্যেই দেশের সব সড়ক মহাসড়কের খানাখন্দ ঠিক হয়ে যাবে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে সম্প্রতি দুদক যে প্রতিবেদন দিয়েছে— এ বিষয়ে সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি বলে জানালেন তিনি।
আর বিপুল অর্থব্যয় করে মেরামত কাজের পরও বেশিদিন রাস্তাঘাট ঠিক না থাকার পেছনে দুর্নীতি ও রাজনৈতিকভাবে ঠিকাদার নিয়োগের ভুমিকার কথাও অস্বীকার করলেন সড়ক ও মহাসড়কের প্রধান প্রকৌশলী।
চলতি অর্থবছরে সড়ক মহাসড়ক মেরামত ও উন্নয়নে সব মিলে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ জন্য সরকারের কাছে নতুন করে আরো ১ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে তারা।
এ সময় সড়ক-মহাসড়কে নিম্নমানের কাজের জন্য রাজনৈতিক বিবেচনায় ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়টিও বৈঠকে অস্বীকার করা হয়।
খানাখন্দে নাকাল অবস্থা সারাদেশের সড়ক মহাসড়কের। মাঝে মাঝে মেরামত করা হলেও, বছর না ঘুরতেই সড়কের চেহারা দাঁড়ায় একই। দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন চলে ধীরগতিতে, দেখা দেয় তীব্র যানজট।
গেল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের বেশিরভাগ সড়ক মহাসড়ক। এ অবস্থায় বন্যা নেমে যাওয়ার পরই মেরামত কাজ শুরু করেছে সরকার।
সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের দাবি, এরই মধ্যে দেশের ৪০ ভাগ রাস্তা মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ আগামী জুনের মধ্যেই শেষ হবে। ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের ৬১ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলেও দাবি করছেন তারা।