সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা, ভালবাসায় সিক্ত হলেন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। জাতীয় পতাকা মোড়া কফিনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে দেয়া হয় গার্ড অব অনার। এরপরই শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে আসা বন্ধু, স্বজন, সহযোদ্ধা আর ভক্তদের শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে ভরে ওঠে তার কফিন।
শ্রদ্ধা জানানো শেষে তার কফিন নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে। সেখানে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে জীবন যুদ্ধে হার না মানা বীর এই মুক্তিযোদ্ধাকে জাতি সারা জীবন শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ করবে বলে জানান সহযোদ্ধা ও সুভানুদ্ধায়ীরা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৃহস্পতিবার সকালে নিয়ে আসা হয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মরদেহ।
এরপর ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। পরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে শুরু হয় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন পর্ব। সাহস থাকলে জীবনের সকল বাধা অতিক্রম করে যে সামনে আগানো যায় তার অন্যতম উদাহরণ ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলে জানান বিশিষ্টজনেরা।
একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনা হিসেবে এই মহিয়সী নারীকে অনেকে দেরীতে সম্মান দেওয়া এ জাতির দুর্ভাগ্য বলে মনে করেন অনেকে। নির্যাতিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার ত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে অভিমত রাজনীতিবিদদের।