বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ প্রতিনিয়ত নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রাও দিন দিন বাড়ছে।
রাজধানীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে মানবাধিকারকর্মীরা এমন মন্তব্য করেছেন।
এজন্য প্রভাবশালী মহলের পাশাপাশি সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়ী করেছেন তারা। এটা নিরসনে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার ওপর জোর দেন আলোচকরা।
গত ২০১৭ সালে দেশের পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের মানবাধিকার পরস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ডেইলি স্টার ভবনে প্রতিবেদন প্রকাশ করে কাপিং ফাউন্ডেশন।
বাংলাদেশের আদিবাসীদের মানবাধিকার রিপোর্ট ২০১৭ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে পাহাড় ও সমতলের মানুষের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার, ভূমির অধিকার, নারী-শিশু ও যুবদের মানবাধিকার পরিস্থিতি, পার্বত্য শান্তি চুক্তির বর্তমান অবস্থাসহ নানা বিষয় উঠে এসেছে। তাদের সার্বিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলেই প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে।
চেয়ারম্যান কাপিং ফাউন্ডেশনের রবীন্দ্রনাথ সরেন এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগণ কীভাবে প্রতিনিয়ত বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার চিত্র তুলে ধরে আলোচকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মানবাধিকার পরিস্থিতি অবনতির জন্য সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দায়ি করেছেন অধ্যাপক বাঞ্চিতা চাকমা ও উষাতন তালুকদার।
মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল অভিযোগ করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে আদিবাসীদের ওপর নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে।
এক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি।
এই নির্যাতন প্রতিরোধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।