দেশের সরকারি চাকরির ৫৬ ভাগ নিয়োগই কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে করা হয়— বাকি ৪৪ ভাগ নিয়োগ দেয়া হয় মেধার ভিত্তিতে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী এবং নারীসহ দেশের পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর শ্রেণির জন্য কোটা রাখা হয়েছে ২৬ ভাগ। ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের জন্য।
দেশে দিন দিন শিক্ষার হার বাড়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ওপর চাপ বাড়ায় কোটা পদ্ধতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। দাবি উঠেছে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের। পক্ষে বিপক্ষে-দুদিকেই রয়েছে জোরালো মতামত।
সংবিধানের ধারা- ২৯ এর উপধারা তিন এ বলা আছে, সমাজের পিছিয়ে পড়া, অনগ্রসর শ্রেণী, গোষ্ঠী বা জাতি প্রজাতন্ত্রের কাজে যাতে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব করতে পারে, সে বিষয়ে আইন বা বিধি প্রণয়ন করা যেতে পারে। যার ভিত্তিতে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের সরকার আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই কোটা পদ্ধতি চালু করে।
সেই আইন অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে মোট ৫৬ ভাগ নিয়োগ থাকে কোটা থেকে। বাকি ৪৪ ভাগ নিয়োগ হয় মেধার ভিত্তিতে।
৫৬ ভাগের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের জন্য ৫ ভাগ, নারীদের জন্য ১০ ভাগ, জেলা ভিত্তিক কোটা রয়েছে আরও দশভাগ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ ভাগ এবং সবচেয়ে বেশি কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ ভাগ।