যারা গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে তারা ক্ষমতায় যেন না আসতে পারে সে বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরো সচেতন করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। শুক্রবার রাজধানীর বাংলা একাডেমি মিলায়নায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, গণহত্যার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে পারলে তা হবে এটি অস্বীকারকারীদের জন্য উপযুক্ত জবাব।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে যাতে কেউ বিভ্রান্তি না ছড়াতে পারে সেজন্য আইন করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে না পারলে কোন উন্নয়নই কাজে আসবে না।
বাংলাদেশে সংগঠিত গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানে সহায়তা করবে— উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ইতিহাস বিকৃতকারীদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চের কালরাত থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ। তারা যে গণহত্যা চালিয়েছিলো তাতে কতজন শহীদ হয়েছেন স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হলেও এর নির্ভূল হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।
শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা খুঁজে বের করতে গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। এই জরিপে নতুন অনেক বধ্যভূমি, গণকবর আবিস্কৃত হয়েছে।