বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে চলতি মাসেই কক্সবাজারে আসবেন মিয়ানমারের একজন মন্ত্রী। রোহিঙ্গা বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক।
রোহিঙ্গাদের জায়গা দেয়ায় এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭'শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে, অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন সিপিডি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। আর রোহিঙ্গাদের রাখাইনে নিরাপদ প্রত্যাবসনের ব্যাপারে, ভারত ও চীনকে নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা আরো জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
'রোহিঙ্গা শরনার্থী সংকটের স্থায়ী সমাধান' সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ আয়োজিত দুইদিনব্যাপী সেমিনারের প্রথম দিনে আলোচনা হয়, এ সংকটের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টিপাত নিয়ে।
অনুষ্ঠানে এর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডি'র নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। জানান, প্রতিদিন যদি ৩০০ জন করে রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার ফেরত নেয়, তাহলে পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শেষ হতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত লাগবে। আর ততদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের ভরনপোষণ ও পরিবেশে ওপর প্রভাব মিলে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আরো উচ্চ পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পরামর্শ দিলেন বিশ্লেষকরা।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব জানান, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার পরই, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে।
ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের রাখাইন সফর, সেখানে রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি নির্মানের চুক্তিও প্রতাবাসন প্রক্রিয়ার অংশ বলে পররাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন।