সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামানের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে সেটাকে ‘স্বাভাবিক মনে করছেন না।
তার মতে, প্রশিক্ষিত হামলাকারীরা প্রাণনাশের উদ্দেশেই এই হামলা চালিয়েছে।
রোববার রাতে তার বাসভবনে হামলার পর সোমবার সকালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
উপাচার্য বলেন, রাতে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে তাতে কোনো শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট নয়— একটি প্রশিক্ষিত ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী লাশের রাজনীতির জন্য এ তাণ্ডব চালিয়েছে।
বাসভবনে হামলাকারীরা মুখোশ পড়ে এসেছিল—এ কথা জানিয়ে উপাচার্য বলেন, 'বাসায় যারা এসেছিল তারা লাশের রাজনীতি করতে এসেছিল। প্রাণনাশের জন্য এসেছিল, দেশকে অস্থিতিশীল করতে এসেছিল।
এ ঘটনায় সরকার আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে জানান উপাচার্য।
কোটা সংস্কারের দাবিতে গতকাল ঢাকায় শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছিল উত্তাল। রোববার গণপদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। পরে তারা শাহবাগে অবস্থান নেয়।
পুলিশ সেখান থেকে রাতে তাদের তুলে দিতে চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ লাঠিপেটা, গরম পানি ছিটিয়ে, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
রাতে আন্দোলনকারীদের একাংশ উপাচার্যের বাসভবনের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায় এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
বাসভবন প্রাঙ্গণে থাকা দুটি গাড়িতেও আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ কর্মীরা।
এ ঘটনায় রাতেই উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামানকে ফোন করে তার খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।