গণমাধ্যম কিংবা সাধারণ মানুষকে হয়রানির জন্য নয়—ডিজিটাল অপরাধ দমনেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
এ আইনের ৫৭, ৩২ ধারাসহ যেসব ধারা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সেগুলো সবার সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, গণমাধ্যমের কর্মীরাও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৫৭ ও ৩২ ধারা এবং অনলাইন গণমাধ্যমের অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০১৮ উপলক্ষে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনার আয়োজন করে কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে। এতে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশের মুক্ত গণমাধ্যমের বর্তমান চিত্র শীর্ষক এই আলোচনায় উঠে আসে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৫৭ ও ৩২ ধারার নেতিবাচক দিক তুলে ধরেন তারা।
গণমাধ্যম কর্মীদের যেন এর মাধ্যমে হয়রানির না করা হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখার দাবি জানান আলোচক ব্যারিস্টার তানজিম।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত দেশের অনলাইন গণমাধ্যমের অপব্যবহারে কথা উল্লেখ করে মানুষের ভোগান্তি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের মোস্তফা জব্বার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারার নেতিবাচক বিষয়ে আলোচকদের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, সব কিছু বিবেচনায় নিয়েই এই আইন চূড়ান্ত করা হবে।
দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল: