মত প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো ধারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
মন্ত্রী বলেন, কোনো ধারা নিয়ে অভিযোগ থাকলে তা বিবেচনা করা হবে।
আগামী ২২ মে সংসদীয় কমিটির সভায় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে স্টেক হোল্ডার রিপোর্ট টু হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল অন ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য নারীর প্রতি সহিংসতা-নির্যাতন বন্ধসহ বেশ কিছু বিষয়ে কাজ করার কথা জানান আলোচকরা।
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভালো উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, মানবাধিকার প্রশ্নে সরকারের অবস্থানের বিষয়টি নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে গণমাধ্যেমের আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।
ওই অনুষ্ঠানে সরকার কখনোই মুক্ত গণমাধ্যমের বিপক্ষে নয় উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আশ্বাস দেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ হয় এমন কোনো আইন কখনোই করা হবে না।