কমে গেছে কর্মজীবী মানুষের প্রকৃত আয়— ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রকৃত আয় কমেছে গড়ে আড়াই শতাংশ আর নারীদের আয় কমেছে আরো বেশি- প্রায় ৪ শতাংশ। বুধবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-সিপিডি।
বলা হয়েছে, দেশের ৫৭ শতাংশ নারী কোনো ধরনের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা কাজের সঙ্গে একেবারেই সম্পৃক্ত নয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাই, মানসম্পন্ন শিক্ষা ও নারীদের কর্মসংস্থানের প্রতি নজর দিতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়।
প্রকৃত আয় কমে যাওয়া দেশের জন্য সুখকর নয় বলেও আলোচনাকালে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম।
২০১৩ সালে একজন কর্মজীবী মাসে গড় মজুরি পেতেন ১৪ হাজার ১৫২ টাকা। আর ২০১৭ সালে পাচ্ছেন ১৩ হাজার ২৫৮ টাকা। অর্থাৎ চার বছরের ব্যবধানে গড়ে প্রকৃত মজুরি কমেছে প্রায় ৯'শ টাকা বা প্রায় আড়াই শতাংশ।
আর একজন কর্মজীবী নারী ২০১৩ সালে গড় মুজুরী পেতেন ১৩ হাজার ৭১২ টাকা। এখন পান ১২ হাজার ২৫৪ টাকা। সে হিসেবে একজন নারীর ৪ বছরে প্রকৃত আয় কমেছে প্রায় দেড় হাজার টাকা বা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ।
সিপিডি বলছে, সার্বিক কর্মসংস্থানে নারীর অংশগ্রহণের চিত্র আরো খারাপ। ৫৭ শতাংশ নারী এখনো যে কোন ধরনের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ কিংবা কাজের সংস্পর্শেই নেই। যারা কাজ করছেন তার মধ্যে ৯০ শতাংশই আবার অপ্রাতিষ্ঠানিক ঝুকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামছুল আলম মনে করেন, দেশের উন্নয়নের সঙ্গে নারীদের কর্মসংস্থান ও প্রকৃত আয় কমে যাওয়ার চিত্র, একেবারেই বিপরীত।