শ্রদ্ধা-ভালবাসায় চির বিদায় নিলেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক, জাতীয় অধ্যাপক মুসতাফা নূরউল ইসলাম। গুণী এ মানুষকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছুটে আসেন কবি সাহিত্যিক,রাজনীতিক,সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ঠজন,কর্মীসহ তার সুহৃদ-শুভানুধ্যায়ীরা।
সারা জীবন নিজের কাজের মধ্যে দিয়ে বাংলা ও বাঙালিত্বের পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থানের কথাই বারবার উঠে এসেছে তার সহকর্মী-সহযোদ্ধাদের কথায়।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক,জাতীয় অধ্যাপক মুসতাফা নূরউল ইসলামের মরদেহ আনা হয়। কবি-সাংবাদিক-রাজনীতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের মানুষ ছুটে আসেন গুণী এই মানুষটিকে শেষবারের মতো দেখতে। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে তার কফিন।
ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন মুসতাফা নূরউল ইসলাম। বাংলা এবং বাঙালিত্বের পক্ষে আজীবন তিনি ছিলেন আপোষহীন।
সাময়িকপত্র গবেষণা, বাঙালি মুসলিম-মানসের আধুনিকায়ন বিষয়ে তার গবেষণা কর্ম আমাদের সাহিত্যেক্ষেত্রে যোগ করেছে বুদ্ধিবৃত্তিকতার নতুনমাত্রা।
মুসতাফা নূরউল ইসলামের রচনা সংগ্রহ করে আগামি প্রজন্মের জন্য তা সংরক্ষণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশিষ্ঠজনরা।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বেলা সাড়ে বারোটা পর্যন্ত মুসতাফা নূর-উল ইসলামের মরদেহ রাখা হয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে তার দীর্ঘ দিনের কর্মস্থল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরেকবার নামাজে জানাজা শেষে তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।