সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের বিষয়ে একটি সারসংক্ষেপ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
সচিব বলেন, শিগগিরই সিদ্ধান্ত হবে বলে তারা আশা করছেন।
সোমবার সকালে মন্ত্রি পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিং এ তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো জানান, তবে বৈঠকে কোটো সংস্কারের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
এদিকে, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন’ মন্ত্রণালয় নামকরণের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের নাম বদলের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।
এ সময় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধানমন্ত্রীর ছেলে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
পরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আগেই ছিল, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে ‘ক্লাইমেট চেইঞ্জ’ যুক্ত করা হয়েছে।
বাংলায় ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়’ এবং ইংরেজিতে হবে ‘Ministry of Environment, Forest and Climate Change’ এ মন্ত্রণালয়ের নাম জানান তিনি।
গত বছর ৬ আগস্ট জাতীয় পরিবেশ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন’ করার সিদ্ধান্ত হয়। এখন রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপণ জারি হলেই নতুন নাম কার্যকর হয়ে যাবে।
বিশ্বের যেসব দেশ জয়বায়ু পরিবর্তণের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা যে হারে বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের একটি বড় এলাকা পানির নিচে চলে যেতে পারে এবং প্রায় দুই কোটি মানুষ বাস্তুচ্যূত হতে পারে বলে সতর্ক করে আসছেন গবেষকরা।
তিনি বলেন, ডাক টেলাযোগাযোগ ও তথ্য প্রযক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
সচিব আরো বলেন, কোটা বাতিল নিয়ে মন্ত্রিসভায় কোনো আলোচনা হয়নি।