দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাকাসনের প্রয়োজনিয়তার ব্যাপারে দুই দেশ একমত হয়েছে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক।
আর বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের প্রস্তুতির কথা জানান দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ইউ মিন্ট থো।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের দ্বিতীয় বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় শুরু হয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের দ্বিতীয় বৈঠক। এ বৈঠকে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ইউ মিন্ট থো। আর বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে দেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।
বৈঠক শেষে বিকালে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছে ইউ মিন্ট থো।
তিনি বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে উভয়পক্ষের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে মিন্ট থো বলেন, প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
উভয়পক্ষই দ্রুত প্রত্যাবাসনে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যে তালিকা দেয়া হয়েছিল সেটা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে গত বছর ১৯ ডিসেম্বর ঢাকায় যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়। চলতি বছর ১৫ জানুয়ারি মিয়ানমারে ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এবার ঢাকায় দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।