রামপালে কয়লা ভিত্তিক ও রূপপুর পরমাণু বিদ্যুত কেন্দ্র পরিবেশ বিরোধী তো বটেই— এর কারণে জনগণের ওপর ঋণের বোঝাও বাড়াবে— এমন মন্তব্য করেছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।
সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, বিদ্যুত উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প পন্থা না নিয়ে সরকার বিশেষ একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্যই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
শনিবার সকালে রাজধানীর মুক্তিভবনে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় উঠে আসে এ কথা।
বাগেরহাটে রামপালে সুন্দরবনের কাছে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়া উৎপাদন ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সুন্দরবনের মাত্র নয় কিলোমিটারের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুত কেন্দ্রের গরম পানি, কয়লা পোড়ানো ছাই ও কালো ধোঁয়া বনের জীববৈচিত্রকে ধ্বংস করে দেবে। এছাড়া রূপপুরে যে পরমাণু বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপন হবে, এর কারণেও পরিবেশে পড়বে বিরূপ প্রভাব।
সরকার পরিবেশ আইন লংঘন করে বিশেষ একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দেয়ার জন্য এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে উঠেপড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আনু মোহাম্মদ।
পরিবেশ ধ্বংস না করেও বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব, এমন কিছু প্রস্তাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
জনবিরোধী এই প্রকল্পগুলো বন্ধে জনমত গড়ে তোলার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলকে কাজ করতে হবে বলে জানান আলোচকরা।