মাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান আইনের আওতায় হতে হবে এখানে বন্দুকযুদ্ধ কেন- এ প্রশ্ন তুলেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার নেত্রী সুলতানা কামাল বলেন, যেভাবে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে প্রতিদিন 'বন্দুকযুদ্ধে' মানুষ নিহত হচ্ছেন বিষয়টি সরকারকে পরিষ্কার করতে হবে।
তিনি বলেন, এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হতে হবে।
জাতিসংঘের ইউনিভার্সেল পিরিয়ডিক রিভিউ-ইউপিআরের আওতায় গত ১৪মে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা হয়। এতে ২৫১টি সুপারিশের মধ্যে ১৬৭টি সুপারিশ গ্রহণে সম্মতি জানালেও গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদ, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি, বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়ন ত্বরান্বিত করা, অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার বিষয়ক আইএলও সনদের কয়েকটি ধারা, শিশুশ্রম নির্মূল বিষয়ক সনদ স্বাক্ষরে রাজি হয়নি বাংলাদেশ। গ্রহণ করেনি মৃত্যুদণ্ড বিলোপ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও।
এ পর্যালোচনার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মানবাধিকার কর্মীরা।
কেন বাংলাদেশ এসব বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছে,এর জবাবে সুলতানা কামাল বলেন, মূলত দায় এড়াতেই এমনটা করা হয়।
সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন মানবাধিকার কর্মীরা।
মানবাধিকার কর্মীদের আশঙ্কা, আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধীর শাস্তি না হলে দেশের বিচার প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে যা ভবিষ্যতের জন্য শুভ কিছু বয়ে আনবে না।