প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর শেষে দেয়া হতে পারে ছাত্রলীগের কমিটি। নেতারা বলছেন, সিণ্ডিকেট-অনুপ্রবেশকারীমুক্ত বিশুদ্ধ নেতৃত্ব বেছে নিতেই দেরি হচ্ছে ছাত্রলীগের কমিটি। এবার নেতৃত্ব ঠিক করবেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা।
যারা নেতৃত্বে আসবেন তাদের ব্যাপারে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। খোঁজ নেয়া হচ্ছে প্রার্থীদের পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক অতীতের।
২৯তম জাতীয় সম্মেলনের ১০দিন পার হলেও এখনও নতুন নেতৃত্ব পায়নি ছাত্রলীগ। এ সম্মেলনে সভাপতি পদে ১১১ জন আর সাধারণ সম্পাদক পদে ২১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। ছাত্রলীগের সাত দশকের ইতিহাসে যা নজিরবিহীন।
কাউন্সিল অধিবেশনে সমঝোতার মাধ্যমে কমিটি করতে ব্যর্থ হয়ে এ ৩২৩ জন প্রার্থীর তালিকা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেয়া হয়।
ছাত্রলীগকে সিন্ডিকেটমুক্ত করতে আর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রার্থীদের ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছেন তিনি। এজন্যই একটু সময় লাগছে বলে জানান নেতারা।
নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের আদর্শ পরিপন্থি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কেউ যেন এবার নেতৃত্বে আসতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ শেখ হাসিনা। জানান, এরই মধ্যে সবকিছু গুছিয়ে এনেছেন তিনি।
ভারত সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী নতুন কমিটি দিয়ে দিতে পারেন বলে জানান নেতারা।
শুধু সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদই নয়, সহ সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকের নামও একযোগে প্রকাশ করা হবে বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।