ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেল স্টেশনে টিকিট বিক্রি শুরু হয়। ভোর রাত থেকেই রেল স্টেশনে দেখা যায় টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড়।
টিকিট দিতে দেরী হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। টিকিট কালোবাজারি যাতে না হয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
কমলাপুর রেল স্টেশনে শুক্রবার সকাল থেকে ২৬টি কাউন্টারে ১০ জুনের ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। অগ্রিম টিকিট বিক্রি উপলক্ষে ভোররাত থেকেই কাউন্টারগুলোর সামনে লাইনে দাঁড়ান টিকিট প্রত্যাশীরা। সার্ভার জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৫ মিনিট পর শুরু হয় টিকিট বিক্রি। বিশৃঙ্খলা এড়াতে রেল স্টেশনে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
টিকিট বিক্রিতে ধীরগতির কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। লাইনে দাঁড়িয়েও শেষপর্যন্ত টিকিটি পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন অনেকে।
আবার দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টিকিট পেয়ে উচ্ছসিত হন অনেকে।
যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী।
তিনি আরো বলেন, আগামী ২ জুন পাওয়া যাবে ১১ জুনের টিকিট, ৩ জুন ১২ জুনের, ৪ জুন ১৩ জুনের, ৫ জুন পাওয়া যাবে ১৪ জুনের এবং সর্বশেষ ৬ জুন দেওয়া হবে ১৫ জুনের টিকিট।
এদিকে, ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে চট্টগ্রামেও। তবে প্রথম দিনে টিকিট প্রত্যাশীদের সংখ্যা ছিলো তুলনামূলক কম।
সকাল আটটা থেকে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। চাপ কম থাকায় যাত্রীরা বেশ স্বাচ্ছন্দেই লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেনেন। প্রথম দিনে কাউন্টার থেকে দেওয়া হয় ৪ হাজার ৯১৭ টি টিকিট।
এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কাউন্টারের ভেতরে ও বাইরে রেলওয়ের কয়েকটি টিম কাজ করছে জানিয়ে স্টেশন মাস্টার আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, টিকিট কালোবাজারী রোধ করতে ৫৭টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে পুরো রেলওয়ে স্টেশন নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে।
পাশাপাশি কাজ করছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি, ডিবি পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা।