আগামী অর্থবছরেও ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না বলে মনে করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি।
তাদের অভিমত, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় চির ধরেছে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারছে না— কমাতে পারছে না আয় বৈষম্যও।
অবস্থা উত্তরণে আগামী বাজেটে সরকারের আর্থিক নীতির সংস্কার ও গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ সিপিডির।
রোববার সকালে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ পরামর্শ দেয়।
গত ৩ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হচ্ছে ৭ শতাংশের উপরে— কিন্তু কর্মসংস্থান হচ্ছে না। উপরন্তু মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে প্রায় আড়াই শতাংশ। বেড়েছে আয় বৈষম্যও। এসব সূচক অর্থনীতির জন্য শুভ লক্ষণ নয় বলে মনে করে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি বলেন, প্রতিবছরই আগের বারের চেয়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বড় বাজেট দেয়া হয়। কিন্ত বাস্তবায়নের হার ৯৫ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতার তুলনায় অনেক বড় বলে উল্লেখ করেছে সিপিডি।
দেশের রপ্তানি খাত, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নিয়েও উদ্বেগ আছে সিপিডির। বাজেটে বিষয়টি যথাযথ ভাবে নজর দেয়ার পরামর্শ তাদের।