তালিকায় থাকা ব্যক্তি যদি সাংসদ বা কোনো নেতা হয় তার বিরুদ্ধে প্রমাণ থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
পাঁচটি গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া তালিকা ধরেই সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
তিনি আবারও বলেছেন, কাউকে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে এ অভিযান চালানো হচ্ছে না সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ, তথ্য-উপাত্ত নিয়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে।
আর যতদিন পর্যন্ত মাদকের ব্যবহার, পাচার, বিক্রি নিয়ন্ত্রণে না আসবে ততোদিন অভিযান চলবে— মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
কামাল বলেন, তালিকায় কারও নাম থাকতেই পারে কিন্তু প্রমাণ না পেলে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংসদ ও প্রভাবশালী কাউকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ন— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তালিকা আছে এবং যার বিরুদ্ধে প্রমাণ আছে তাদের আমরা গ্রেপ্তার করছি বা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এ সময় টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে র্যা ব তদন্ত করছে। আমরা শিগগিরই আপনাদের এ বিষয়ে জানাব।’
কামাল বলেন, ‘মাদক অপরাধীদের বিচার দ্রুত ও তাৎক্ষণিক করার জন্য সরকার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানকে সফল বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, এ অভিযানে যথেষ্ট পরিমাণে সাড়া জাগিয়েছে, এতে মানুষের সমর্থন রয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযান চলছে ও চলবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত ২২ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারাগারে যে আসামি আছে, তার ৪৩ শতাংশই মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৭ সালের ৪২ তম অধিবেশনে পৃথিবীকে মাদকের করালগ্রাস থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে প্রতিবছরের ২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করে।