হাইকোর্টের রায় অমান্য করে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদ দেয়া সম্ভব নয় বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
চাকরিতে কোটা পূরণের পর পোস্ট খালি থাকলে মেধা তালিকা থেকে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া, আগামী জাতীয় নির্বাচনে আবারো নৌকায় ভোট চাইলেন এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে উপাচার্যের বাসায় হামলা চালানো কোনো শিক্ষার্থীর কাজ নয়।
সিসি টিভির ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
কোটা পূরণের পর পোস্ট খালি থাকলে মেধা তালিকা থেকে নিয়োগ দেয়ার কথা জানান তিনি।
কোটা সংস্কার নিয়ে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদের বক্তব্যের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে সরকারের উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন, দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য যা করা দরকার তার সরকার সেই কাজগুলোই করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে কোনও মানুষ গৃহহারা থাকবে না। সরকার দেশে খাদ্য ও পুষ্টি সেবা নিশ্চিত করেছে, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করছে সরকার। কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষে বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।
২০০১ সাল থেকে কিভাবে এদেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অনেক নির্যাতন সহ্য করে আজকের পর্যায়ে এসেছে আর দেশের, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকায় ভোট চান তিনি।