সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনের ফলে সংসদে মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ায় নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বাধাগ্রস্ত হবে— এমন আশংকা করছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
সোমবার সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলা হলেও এ বিল পাশ হওয়ার মধ্যে দিয়ে আবারো প্রমানিত হলো- কোনো রাজনৈতিক দলেরই এ বিষয়ে আগ্রহ নেই।
আইন প্রণয়নকাজে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৯৭২ সালে সংবিধানে বিশেষ কোটা চালু হয়েছিল। তখন থেকে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনেই নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ থাকছে।
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ ২৫ বছর সংরক্ষিত আসন বহাল রাখতে গত ৮ জুলাই সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়িয়ে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধন বিল-২০১৮ জাতীয় সংসদে পাস হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, এ বিধান বহাল রাখার ফলে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাধা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সংসদে মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ায় এই সকল নারীদের সুর্নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকা তৈরী হওয়ার সম্ভবনা নষ্ট হয়েছে।
নারীদেরকে সকল রাজনৈতিক দল কর্মী হিসেবে ব্যবহার করলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখতে চায় না জানিয়ে এই সংশোধন পুনঃবিবেচনার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।