সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার করতে দেশি-বিদেশি কোটা পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে দেখছে গঠিত সচিব কমিটি— চলছে আরো তথ্য সংগ্রহের কাজ।
কমিটি সূত্রে জানা গেছে, কোটা বিষয়টি জটিল হওয়ায় এরজন্য পর্যাপ্ত সময়ের প্রয়োজন রয়েছে।
এদিকে, সরকার সচিব কমিটির মেয়াদ ৯০ কার্য দিবস বৃদ্ধি করে গত বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশান মন্ত্রণালয়।
তবে বিষয়টি দ্রুত সুরাহা করার পক্ষে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের মধ্যেই গত ২ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতিতে সংস্কার আনতে উচ্চ পর্যায়ের সচিব কমিটি গঠন করে সরকার।
কমিটি গঠনের ছয় দিনের মাথায় গত ৮ জুলাই প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোটা সংস্কার করতে বিভিন্ন দেশের সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সিদ্ধান্ত হয় দেশি-বিদেশি তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেই কোটা সংস্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ দেবেন তারা। সে অনুযায়ী তথ্য বিশ্লেষণ চলছে বলে জানিয়েছে কমিটি সূত্র।
এদিকে, গঠিত কমিটির মেয়াদ ১৫ দিন থেকে ৯০ দিনে বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। কমিটি জানিয়েছে, এতে করে বিষয়টি নিয়ে কাজ করার পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন তারা।
এদিকে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংস্কারে আইনি বাধা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।
সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, এই কোটায় হাত দিলে সরকারকে আদালতের আদেশ নিজ পক্ষে নিয়ে আসতে হবে।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়ও কিছুটা সংস্কার আনা যেতে পারে বলে মত দিয়েছেন সাবেক সচিব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস।
বর্তমানে যে ৫৫ শতাংশ কোটা সরকারি চাকরিতে রয়েছে তা কমিয়ে আনার পক্ষে মত দেন বিশেষজ্ঞরা।