শর্ত দিয়ে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপির দেয়া শর্ত প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
রোববার সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, বিএনপি অংশ না নিলেও নির্বাচন বন্ধ থাকবে না সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন, এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ বা আলোচনায় বসবে না সরকার।
সমসাময়িক নানা প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।
চিবালয়ের নিজ দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়ার প্রসঙ্গ উঠে আসে। নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপি যে শর্ত জুড়ে দিয়েছে তার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশে সংবিধানের বাইরে আর কোনো শর্তে নির্বাচন হবে না।
বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে কোনো সংলাপের আয়োজন করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো সংলাপ বা আলোচনা হবে না।
নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তা প্রতিহত করার বিষয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির এমন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সহিংসতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
তবে বাংলাদেশে ২০১৪ সালের ভয়াবহ সহিংসতা আর ফিরে আসবে না— দেশের জনগণকে নিয়েই এ ধরণের অপচেস্টা প্রতিহত করা হবে বলে জানান তিনি।
দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত শুক্রবার রাজধানীতে এক সমাবেশে বিএনপি নেতারা বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেন।
গত শুক্রবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেত্রীর মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য অনেকগুলো শর্ত তুলে ধরেন নেতারা। যেখানে বলা হয়- বাংলাদেশে নির্বাচন করতে হলে এক নম্বর পূর্ব শর্ত খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।