দেশে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে আমরা সমর্থন করি— কিন্তু সড়কে গাড়ি চলাচলে কোনও নিরাপত্তা নেই সেজন্য বন্ধ রাখা হয়েছে জানান
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত চার শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে সে জন্যই রাস্তায় যানবাহন নামছে না।
শুক্রবার বিকেলে মহাখালী টার্মিনালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, যখন সড়কে নিরাপদ বোধ করবো তখন থেকে গাড়ি নামাবো। এটা আমাদের আনুষ্ঠানিক কোনও কর্মসূচি নয়।
তিনি বলেন, আমরা আইন মেনে চলার জন্য নির্দেশ দিয়েছি— আইন অনুযায়ী দোষীদের যে শাস্তি হোক আমরা মেনে নেবো। নতুন আইনকে আমরা স্বাগত জানাই।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানবন্দর সড়কে র্যা ডিসন হোটেলের বিপরীতে কালশী থেকে বিমানবন্দরগামী জাবালে নূর পরিবহনের একাধিক বাস প্রতিযোগিতা করে যাত্রী তুলতে গিয়ে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল করিম রাজীব নিহত হন। এছাড়া আরও শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনার জেরে নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তাসহ শিক্ষার্থীদের ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীসহ সারাদেশে রাস্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক গণপরিবহন নামানো হচ্ছে না, দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।