সড়ক দুর্ঘটনারোধে গত ২৫ জুন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।
আসুন দেখে নেই তার নির্দেশনার বিআরটিএর অংশের বাস্তবায়ন/অগ্রগতি কতোটুকু?
১.দূরপাল্লার যানবাহনে চালকের ৫ ঘণ্টার বেশি গাড়ি না চালানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা মানতে হবে।
বিআরটিএ ২২ জুলাই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে।
২.মহাসড়কে চলন্ত গাড়ির স্পিড কন্ট্রোলের বিষয়ে দূরপাল্লার বিভিন্ন পরিবহণের মালিকদের নিয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান সভা করে কার্যকর ব্যবস্থা নিবেন।
বিআরটিএ ২৪ জুলাই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে।
৩.মহাসড়কে চলাচলরত পুরাতন বাস ও ট্রাকের লাইফ টাইম নির্ধারণে বুয়েট ও এআরআইসহ সংশ্লিস্ট স্টক হোল্ডারদের নিয়ে আলোচনা করে সুপারিশ প্রণয়ন করতে হবে।
৭ জুন সভা হয়েছে— চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠক আবার হবে।
৪.ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ পরিচালনার উপযোগী একটি জায়গা নির্ধারণ করতে হবে। উক্ত জায়গায় বাংলাদেশ সড়ক মোটরযান চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।
জায়গা নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।
৫.ড্রাইভার সংকট নিরসনের জন্য ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সাথে ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্সপ্রাপ্তির শর্তাবলী শিথিলের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে বিদ্যমান আইন সংশোধন করতে হবে।
১২৩টি ড্রাইভিং স্কুল আগেই ছিল। আরো ৬টি আবেদন প্রক্রিয়াধীন।
৬.মহাসড়কে যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা এবং রাস্তা পারপার বন্ধ করতে হবে। এ বিসয়ে মালিক শ্রমিক সংগঠন ও হাইওয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ব্যবস্থা নিতে ২২ জুলাই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে।
৭.কোনো অবস্থাতেই স্পেসিফিকেশন বহির্ভূত মোটরযান রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। ত্রুটিপূর্ণ মটরযানের ফিটনেস নবায়ন করা যাবে না।
২২ জুলাই সংশ্লিস্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে।
৮.মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
২২ জুলাই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে।
৯.মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা যেতে পারে।
১৮ জুলাই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে।
১০.প্রতিমাসে অন্তত দুবার মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
২২ জুলাই সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে।