শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজকে পাঁচটি বাস উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বাসগুলো তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া।
এ সময ছাত্র-ছাত্রীদের উপহার হিসেবে ওই বাসের চাবিগুলো তুলে দেন তিনি।
কলেজের পক্ষ থেকে বাসগুলোর চাবি গ্রহণ করেন ঢাকা অঞ্চলের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক এবং ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল ও কলেজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং লজিস্টিকস এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সরওয়ার হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষসহ অন্যরা।
বাসগুলো পাওয়ার পর কলেজের অধ্যক্ষ নুর নাহার ইয়াসমিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানান।
পাঁচটি বাসের মধ্যে একটি দ্বিতল, একটি ৩০ আসন বিশিষ্ট কোস্টার, বাকিগুলো একতলার।
বাস পাওয়ার পর কলেজের অধ্যক্ষ নুর নাহার ইয়াসমিন সাংবাদিকদের সামনে একটি বিবৃতি পড়ে শোনান।
সেখানে বলা হয় ওই দুর্ঘটনায় যে আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন তাদেরকে সিএমএইচে নেয়া হয়। চারজনকে পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাকি চারজনের অবস্থা উন্নতির দিকে।
অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে নিরাপদে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে সেজন্য বাস দেওয়া হয়েছে। একজন অভিভাবক, শিক্ষক বা মা হিসেবে আমি বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া হচ্ছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে ও অতি সত্ত্বর বাস্তবায়িত হবে।
শিক্ষার্থীদের বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, তোমরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ফিরে যাও। পড়াশোনায় মনযোগী হও। তোমাদের জন্য সড়ক নিরাপদ করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে জানান তিনি।
গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের এমইএস এলাকায় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় নিহত হন রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজীব।