নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সুযোগ নিতে তৃতীয় পক্ষ মাঠে নেমেছে—এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে সেজন্য অত্যন্ত দুঃখিত আমরা, পদক্ষেপ নিয়েছি শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরে যাও।
রোববার সকালে গণভবন থেকে ১০ জেলার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদে অপটিক্যাল ফাইবার কানেক্টিভিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রযুক্তি যেন গঠনমূলক কাজে ও মানুষের কল্যাণে ব্যবহার হয় সেই আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গুজবে কান দেবেন না, মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না।
প্রযুক্তির ব্যবহার করে কেউ কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কল্যালমূলক কাজে প্রযুক্তির ব্যবহারে ছোটদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।
বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে, সে জন্য আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।
শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যথেষ্ট হয়েছে আর না, ঘরের ছেলে-মেয়ে ঘরে ফিরে যেতে হবে। লেখাপড়া করতে হবে। আর কোনো বাবা-মায়ের কোল খালি হোক আমি চাই না। কারণ, হারানোর বেদনা আমি বুঝি। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ, সন্তানদের ঘরে ফিরিয়ে নিন। আগুন দিয়ে যারা মানুষ মারতে পারে তাদের পক্ষে যেকোনো কিছু করা সম্ভব।
রাস্তায় চলাচলে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুল থেকেই ট্রাফিক রুল শেখাতে হবে। স্কুলের সামনেই ট্রাফিক থাকবে, জেব্রা ক্রসিং থাকবে, যেখানে আন্ডার পাস প্রয়োজন তার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।
দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তা যতদূর সম্ভব রোধ করতে হবে। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, মোবাইল ফোন প্রত্যেকটা মানুষের হাতে আমরা পৌঁছে দিয়েছি। আজকে হাতে হাতে মানুষের মোবাইল ফোন। সব ধরনের ইন্টারনেট আমরা দিয়ে দিচ্ছি। ঘরে বসে আজকে ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে।