প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনে মালিক-শ্রমিকদের স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে— উপেক্ষিত হয়েছে পথচারী ও জনস্বার্থ। সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
এ আইন দিয়ে সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে না বলেও মনে করে তারা।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনার বহুমাত্রিক কারণগুলো এ আইনে স্থান পায়নি। প্রস্তাবিত আইনে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার দায়ে চালকের যে পাঁচ বছর কারাদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে- তা কমপক্ষে ১০ বছর করার সুপারিশ সংস্থাটির।
প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইন সম্পর্কে পর্যবেক্ষন তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্স।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রস্তাবিত আইনে সড়ক নিরাপত্তার সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে জড়িত সড়কের পরিকল্পনা, ডিজাইন, তদারকি যানবাহনের গুনগত মান ও ফিটনেস, ড্রাইভার শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা ও ব্যবস্থাপনা স্থান পায়নি। উপরন্তু বাস মালিকদের দায়মুক্তির সুযোগ রয়েছে এতে।
প্রস্তাবিত আইনে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, পরিকল্পনাবিদদের সুপারিশ আমলে নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। আর চালকদের যে শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপদ সড়কের জন্য তা যথেষ্ট মনে করছেন না তারা।
আইনপ্রণেতা যখন শ্রমিক নেতা তখন জনবান্ধব আইন প্রণয়ন ও তার প্রয়োগ দুরহ বলেও আশঙ্কা পরিকল্পনাবিদদের।
গাড়ি দুর্ঘটনার তদন্ত কমিটিতে কারা থাকবেন প্রস্তাবিত আইনে তার কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। সেইসঙ্গে দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড প্রমাণ কঠিন বলেও মত সংগঠনটির।