বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বহু আগেই কাঙ্খিত সোনার বাংলায় পরিণত হতো বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, যে সূচনা তিনি করেছিলেন ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড তার সবকিছুকেই ধ্বংস করে দেয়, থমকে যায় জাতির বিনির্মাণ। বিনষ্ট করা হয় জাতির সমস্ত সম্ভাবনাকে।
অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ বলেন, সেই অসমাপ্ত কাজ করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুতনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি জানান, দৃশ্যমান উন্নতি হচ্ছে ঠিকই কিন্তু মূল কাজটিই হবে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
দেশকে সাম্প্রদায়িকতা আর জঙ্গিবাদমুক্ত করার চ্যালেঞ্জও রয়েছে সামনে।
তিনি জানান, এ শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে এগিয়ে যেতে হবে, পথের দিশা দিবে মুজিব আর্দশ।
নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ বিজয়ের পর সদ্য স্বাধীন দেশ পুনর্গঠনের কাজে নেমে পড়েন বঙ্গবন্ধু। একে একে গড়ে তুলেছিলেন সকল প্রতিষ্ঠান। প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে জটিল সব সমস্যার সমাধানে করছিলেন নানা চুক্তি। তৈরি করেছিলেন নতুন নতুন আইন। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন কাঙ্খিত মুক্তির পথে।
কিন্তু একাত্তরের পরাজিত শক্তির তা সহ্য হলো না। স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় সভ্যতার সকল ইতিহাসকে ম্লান করে দিয়ে হত্যা করা হলো জাতির জনককে। এরপর সামরিক শাসন আর হত্যা-ক্যু'র রাজনীতিতে পথ হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাতি বিচ্যুত হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে।
লেখক কামাল লোহানী ও সৈয়দ মনজুরুল ইসলামবলেন, পিতার অধরা স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন তারই কন্যা শেখ হাসিনা।
বিশ্লেষকরা মানছেন, শেখ হাসিনার দশ বছরের শাসনামলে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বঙ্গবন্ধুর কাঙ্খিত সোনার বাংলা গড়তে হলে আরও পথ পাড়ি দিতে হবে।
১৫ই আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।