বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা চুরি কিংবা দুর্নীতি নয়নি— পুরো বিষয়টি টেকনিক্যাল লস বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক এমডি হাবিব উদ্দিন আহমেদ। খনি থেকে কয়লা গায়েবের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন তিনি।
দুদক প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ও বর্তমান ৮ শীর্ষ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামছুল আলম সাবেক এমডির এ বক্তব্যের কোনো জবাব না দিয়ে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা মামলার চার্জশীট দিবেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের তলবে বুধবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা সংস্থাটির কার্যালয়ে হাজির হন বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির সাবেক এমডি হাবিব উদ্দিনসহ শীর্ষ ৮ কর্মকর্তা।
অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন কোম্পানী দুই সেক্রেটারি আবুল কাশেম প্রধানিয়া ও মোশারফ হোসেন সরকার, মহাব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান হাওলাদার, ব্যবস্থাপক অশোক কুমার হালদার, আরিফুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম এবং উপব্যবস্থাপক একরামুল হক।
একে অপরের যোগসাজশ ও বিশ্বাস ভঙ্গ করে খনি থেকে ১ লাখ ৪৪ মেট্রিকটন কয়লা গায়েবের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এই কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
কয়লা খনি থেকে আনুমানিক ২৩০ কোটি টাকা মূল্যের কয়লা গায়েবের ঘটনাকে চুরি কিংবা দুর্নীতি হিসেবে মানতে নারাজ এই মামলার আসামি, সাবেক এমডি হাবিব উদ্দিন। তিনি এটাকে টেকনিক্যাল লস হয়েছে বলে দাবি করেন।
তবে অভিযুক্তের দাবি কিংবা জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য বেরিয়ে এসেছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামছুল আলম। দ্রুত মামলার তদন্ত কাজ শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার খনি প্রকল্পের আরো ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।