ঘুষ না দিলে সেবা পাওয়া যাবে না তাই গত বছরে দেশে সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঘুষ দেয়ার পরিমাণ ছিলো ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য খাত হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী সংস্থা।
রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হলে এটি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাইডাস ভবনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) কার্যালয়ে এ জরিপ তুলে ধরা হয়।
২০১৭ সালে সার্বিকভাবে ৬৬.৫ শতাংশ খানা দুর্নীতির শিকার হয়েছে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত তিনটি খাত হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, পাসপোর্ট ও বিআরটিএ। ওই বছর জাতীয়ভাবে প্রাক্কলিত মোট ঘুষের পরিমাণ ১০ হাজার ৬'শ ৮৮ কোটি টাকা যা ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটের ৩.৪ শতাংশ এবং বাংলাদেশের জিডিপির ০.৫ শতাংশ।
রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি বাংলাদেশ-টিআইবির সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরীপ ২০১৭ তে উঠে এসেছে এইসব তথ্য। ডিজিটালাইজেশনের কারণে কিছু সেবা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি কমলেও তা সন্তোষজনক নয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ না থাকার কারণে এটি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগই পারে দুর্নীতি প্রতিরোধে অন্যতম প্রতিষেধক।