শিল্পকর্মে জাতীয় সংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলতে শিল্পীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে চারুশিল্পের নান্দনিকতায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।
শনিবার বিকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এছাড়া বাঙালি জাতির অর্জনের পেছনে শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।
শিল্পের নান্দনিকতা ও আবেদন সীমাহীন—এ কথা উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, শিল্পকর্ম ব্যক্তি শিল্পীর হলেও এর ব্যাপ্তি সর্বত্র। এ মধ্য দিয়ে বিশ্বের চারুকলার সঙ্গে বাংলাদেশের চারুকলার মেলবন্ধনের অনবদ্য সুযোগ তৈরি হলো।
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে এ দেশের শিল্পীসমাজের বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা বলেন তিনি।
এবারের আয়োজনে বাংলাদেশসহ ৭০টি দেশের মোটচ ৪৬৫ শিল্পীর ৫৮৩টি শিল্পকর্ম প্রদর্শন করা হবে। এশিয়ার বৃহত্তম এ চারুকলা প্রদর্শনীতে এ বছর ৬৮টি দেশের ৪৬৫ জন শিল্পী অংশ নিচ্ছে। তাদের ১৯৯ জন বাংলাদেশি, এর মধ্যে প্রযোগিতায় অংশ নিচ্ছে ১০৭ শিল্পী।
আর ২৬৬ বিদেশি শিল্পীর মধ্যে প্রতিযোগিতায় শিল্পকর্ম জমা দিয়েছেন ২২৩ জন। এবারের আয়োজনে দেশি-বিদেশি শিল্পীদের মোট ৫৮৩টি শিল্পকর্মের প্রদর্শনী হবে।
সেপ্টেম্বরজুড়ে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিল্পকলার চিত্রশালার ৬টি গ্যালারিতে এশীয় চারুকলা প্রদশর্নী চলবে।
এর আগে চিত্রকলা প্রদর্শনী উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন রাষ্ট্রপতি। আর ৬ জন শিল্পীকে সম্মানসূচক ও ৩ জনকে গ্রান্ড পুরস্কার দেন।