তাড়াহুড়া করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চাপিয়ে দেয়া যাবে না বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার কথা বলেন।
নেপালে বিমসটেক সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরে আসার পর রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ঘোষণা ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশে গড়ে তুলবো। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার তারই একটি পার্ট। ইভিএম নিয়ে আসার জন্য আমিই পক্ষে ছিলাম। এখনও পক্ষে আছি। তবে হ্যাঁ, তাড়াহুড়ো করে ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু জায়গায় শুরু হোক, সীমিত আকারে এটা দেখুক। প্রযুক্তির যদি কোনো সিস্টেম লস হয় কি না, সেটা দেখা যাক। সেটা হলে সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করা হবে।
তিনি বলেন, এটা এমন না যে এটাই শেষ কথা— আমরা সীমিত আকারে শুরু করি প্রযুক্তির ব্যবহার।
এ সময় সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন ঠোকানোর ক্ষমতা কারও হবে না, নির্বাচন সময় মতোই হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে মিয়ানমার যা বলে তা করে না জানান।
গত শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাত দেশের জোট বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলন শেষে দেশে ফিরে তিনি সংবাদ সম্মেলনে করেন।
শুরুতে বিমসটেক সম্মেলন নিয়ে তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে লিখিত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই শুরু হয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের পালা।