বর্তমানে নগরী জুড়ে যে ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা তা একদিনে তৈরি হয়নি— ট্রাফিক আইন মেনে না চলা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম একটি কারণ বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর পুলিশের- ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় ঢাকা মহানগরীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আজ থেকে দ্বিতীয় দফায় শুরু হয়েছে মাসব্যাপী কর্মসূচি।
ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, এ কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে ট্রাফিক আইন; পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও পুলিশ কাজ করবে।
রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে সুশৃঙ্খল করা জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মাসব্যপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পর ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে এ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীতে ৮৮ হাজারের বেশি মামলা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে তেল বিক্রি না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ইতোমধ্যে আমরা পেট্রোল পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। মোটরসাইকেল আরোহীদের মাথায় হেলমেট না থাকলে তেল না সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।
এছাড়া রাজধানীর সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১২১টি বাস স্টপেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব স্টপেজ ছাড়া কোথাও বাস না থামানোর নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
এই কর্মসূচিতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নম্বর ছাড়া হিউম্যান হলার, রিকশা বন্ধ, হেলমেট ছাড়া চলাচলে জরিমানাসহ বিভিন্ন পদক্ষপের কথা তুলে ধরেন ডিএমপি কমিশনার।
ট্রাফিক আইন না মানলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান তিনি।
সেপ্টেম্বর মাসব্যপী এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে একটি পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডিএমপি কমিশনার।