রাজনীতিবিদরা সৎ হলে পরিবহন সেক্টর স্বচ্ছ হতো সব সমস্যার মূলে তারা—এ মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন, সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি আরো বলেন, রাজনীতিবিদের মধ্যে যদি শৃঙ্খলা ফেরানো যেত তাহলে সবক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় থাকতো।
মানসিকতার পরিবর্তন না হলে সড়ক দুর্ঘটনা কমবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, আন্ডারপাস করার পরিকল্পনা আছে বিমান বন্দর এলাকায় ও সংসদ ভবন এলাকায়। আর ঢাকা -টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০টি আন্ডারপাস হবে।
সবচেয়ে প্রয়োজন বাংলাদেশে সড়কে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা—এ কথা জানিয়ে কাদের বলেন, বাসের ওপর লেখা বাবা -মায়ের দোয়া আর চেহারা দেখলে বাসের সঙ্গে এ নাম চলে না, আল্লার নামে চলিলাম, চলিতে চলিতে খাদে পড়িলাম, মানুষের গায়ে তুলিলাম বলেও মন্তব্য করেন।
আইন অমান্য করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে, সড়ক পরিবহন আইন সংসদে পাসে অপেক্ষায়, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কিন্তু সর্বনিম্ম শাস্তি দশবছর হওয়া উচিৎ বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকের এসব কথা বলেন তিনি।
সারাদেশে সড়ক মহাসড়ক উন্নত করা হয়েছে— এখন ঢাকা চট্টগ্রাম সড়কে তিনটা সেতু যানজটের কারণ এ সমস্যা ডিসেম্বরে কেটে যাবে।
ঢাকা সিটিতে কোথাও সমস্যা হলে সড়ক মহাসড়ক বিভাগের ঘাড়ে দোষ চাপায় কিন্তু বিষয়টি হলো মহানগরীর রাস্তা স্থানীয় সরকার বিভাগের দায়িত্বে থাকে।
ইদানিং লক্ষ্য করছি ছোট ছোট গাড়ি ইজিবাইক সেগুলো মহাসড়কে— এই নগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকসাও দেখা যাচ্ছে তারওপরে মোটরসাইকেল তো রয়েছেই, বেশি দুর্ঘটনা মোটরসাইকেলে হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।
কাদের বলেন, মহাসড়কে অনেক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে— কিন্তু জনবল অনেক কম।
ঢাকার রাস্তা দুই সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব চাইলেও কিছু করা যায় না জানান কাদের।