জাতীয়

উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে স্বল্পমূল্যে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান শেখ হাসিনার

শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা

উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে স্বল্পমূল্যে ও সহজে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের আয়োজনে এক আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্র সচিব মো.শহীদুল হক জানান, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলিউশন’ শীর্ষ এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেনI

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আরও কারিগরি পরিবর্তন আসন্ন—এ চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় স্বল্পমূল্যে সহজে প্রযুক্তি হস্তান্তর করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।

বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার, বিদ্যুতের ব্যবহার এবং ট্রানজিস্টার আবিষ্কার ব্যাপক শিল্পায়ন সৃষ্টির মাধ্যমে মানবসভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছিল বলে ওই তিন ঘটনাকে তিনটি শিল্পবিপ্লব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখন বলা হচ্ছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবনের পথ ধরে আসছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, যেখানে বহু প্রযুক্তির এক ফিউশনে ভৌতজগৎ, ডিজিটালজগৎ আর জীবজগত পরস্পরের মধ্যে লীন হয়ে যাচ্ছে।

আগামী দিনে শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্য খাতের ওপর এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাব বিভিন্ন দেশ কীভাবে মোকাবেলা করবে, সে বিষয়ে আলোচনা হয় ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের অনুষ্ঠানে জানান পররাষ্ট্র সচিব মো.শহীদুল হক।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ কীভাবে মোকাবেলা করবে- এই প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে ছোটো, কিন্তু এর জনসংখ্যা বিশাল। বিপুল এই জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা ও যথাযথ শিক্ষা নিশ্চিত করা বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জI

এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জনগণের কর্মসংস্থান যেন নিশ্চিত করা যায়, সেজন্য তাদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্যোগের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রা, তথ্য-প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ এবং চার কোটি শিক্ষার্থীর মধ্যে বৃত্তি দেয়ার কথাও প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন।

মার্ক রুট তার বক্তব্যের শুরুতে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে এ সময় দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানান।

এ অনুষ্ঠানের পর নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন শেখ হাসিনা।

আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের বার্ষিক সভায় শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানান রানি ম্যাক্সিমা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতো, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট, জনসন অ্যান্ড জনসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালেক্স গোরস্কি এবং মজিলা ফায়ারফক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস বিয়ার্ড এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ