আত্মতুষ্টিতে থাকা যাবে না— আত্মতুষ্টি মানেই পতন, প্রতিপক্ষকে সব সময় শক্তিশালী মনে করেই চলতে হবে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার গণভবনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশন শেষে দেশে ফিরেই এক সংবর্ধনায় এ কথা বলেন তিনি।
আত্মতুষ্টিতে না ভুগে সর্তক থাকার পাশাপাশি দল ও সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, শত বাধা-ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই ক্ষমতায় আসতে হয়েছে— আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলেই আজ আত্মমর্যায় প্রতিষ্ঠিত দেশ। জনসমর্থন থাকায় ও একের পর এক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে পারায় টানা দুই মেয়াদে দেশের মর্যাদাপূর্ণ সব অর্জন সম্ভব হয়েছে।
আত্মতুষ্টির জন্য ১৯৯১ সাল এবং ২০০১ সালের মত আওয়ামী লীগকে যাতে খেসারত দিতে না হয় সে ব্যাপারে নেতা-কর্মীদেরকে সজাগ থাকতে হবে। দলের সাফল্য সব জায়গায় তুলে ধরতে হবে— ভোটের অধিকার কেবল আওয়ামী লীগই প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সফরকালে পাওয়া ইন্টারন্যাশনাল এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এবং গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন ‘স্পেশাল রিকগনিশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ’ সম্মাননা দেশের জনগণকে উৎসর্গ করে প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, এবারের সফরে অনেক সম্মান পেয়েছি। বিশ্বনেতাদের দেয়া এ সম্মান বাংলাদেশের সম্মান, পুরস্কার দেশের জনগণকে উৎসর্গ করলাম।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ও বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগদান এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলোকে অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী গণভবনে পৌঁছনোর পর আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।