সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত এলাকা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে আত্মসমপর্ণকারীদের সহায়তা দিতে ও হত্যা ছাড়া অন্য মামলা প্রত্যাহারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তৃণমূলের প্রকৃত উন্নয়নে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে পুনরায় নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান ও নতুন প্রজন্ম যেন মাথা উঁচু করে চলতে পারে সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে। সরকার বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছে দিয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তার সরকার কাজ করছে— উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করেছে।
এ সময় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকায় ভোট চান শেখ হাসিনা। পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের একটা অংশ জাদুঘর ও আরেক অংশ সিনেকমপ্লেক্সসহ বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৫৬ জেলায় ২০টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের ৫৬ জেলায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।
ভিডিও কনফারেন্সে বাগেরহাটের শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে দস্যুদের আত্মসমর্পণের ধারাবাহিকতায় সবশেষ ৬টি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় বিশ্বের একক সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। সেইসঙ্গে দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কাজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী র্যা ব, পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
এছাড়াও দস্যুদের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে আর সুন্দরবনের নিরাপত্তায় র্যা ব ক্যাম্প স্থাপনের ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা।