আবারো একটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের আশঙ্কা করছে বিএনপি। দলটির নেতাদের অভিযোগ- সুষ্ঠু নির্বাচনে কমিশনের হাতে নিয়ন্ত্রণ নেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে সরকারের হাতে।
আর আওয়ামী লীগ বলছে- দেশে নির্বাচনী পদ্ধতি উন্নয়নের সকল কাজই তাদের আমলে হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন নেতারা।
আর বিশিষ্টজনেরা বলেন-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে সকল অর্জনই ম্লান হয়ে যাবে।
নির্বাচন নিয়ে রাজনীতিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের বৈঠক শেষে তারা এসব কথা বলেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত কয়েকদিন ধরেই আর্ন্তজাতিক বিভিন্ন নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করছেন রাজনীতিকরা।
এরই অংশ হিসেবে বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে কানাডার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইআইডি ও যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা এনআইডির উদ্যোগে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজনীতিক , নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা।
সকাল সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে বের হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদু চৌধুরী অভিযোগ করেন-নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোন আলামত তারা দেখছেন না।
তিনি বলেন-নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ সরকারের হাতে চলে গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম দাবি করেন-নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনী পদ্ধতি উন্নয়নে সকল পদক্ষেপই আওয়ামী লীগের।
নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে সকল অজর্নই ম্লান হয়ে যাবে।
আর সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন-গত পাঁচ সিটি নির্বাচনের মত নিয়ন্ত্রিত কোনো নির্বাচন যাতে না হয় সেদিকে কমিশনকে নজর রাখতে হবে।