আগামী নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারবে তো? আর ভোট দিতে পারলেও ভোট গণনা ঠিকভাবে হবে কি না- এমন আশঙ্কা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে সেন্টার ফর গভর্নেন্স আয়োজিত এক আলোচনায় তারা এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করেন বক্তারা।
নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে আস্থার তৈরি করতে পারেনি। প্রশাসনও সরকারের অনুগত। এ অবস্থায় নিরাপদ সড়ক ও কোটা আন্দোলনের মতো ভোটেও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই কেবল সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে বলে তাদের অভিমত।
আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে তো? এ শিরোনামে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ।
অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজনের সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
মূলপ্রবন্ধে বলা হয়, নির্বাচনপূর্ব এবং তফসিল ঘোষণার পরবর্তী পরিস্থিতি, কোন কিছুই সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে নেই। প্রশাসনও দলীয় সরকারের অনুগত।
পরিস্থিতি উত্তরণে নির্বাচন কমিশনও কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না— এ অবস্থায় স্বাধীনভাবে জনগণের ভোট প্রদানের সুযোগ এবং ভোটের সঠিক গণনা হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
আলোচকদের এমন আশংকা নাকচ করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন।
তার মতে, নির্বাচনী ব্যবস্থা এখন আরো শক্তিশালী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপাক আসিফ নজরুল অভিযোগ করেন, বিদেশিরা এখন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের আশা ছেড়ে দিয়েছেন— কিন্তু গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণ সমাজ এখনও আশার প্রতীক হয়ে আছেন।
আলোচকরা বলেন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বে কোন রাজনৈতিক দল হয়তো ভোটে জিততে পারবে, কিন্তু তাতে হারবে জনগণ, হারবে বাংলাদেশ।