বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল নেমেছে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শহীদের সন্তানসহ, বিশিষ্টজন ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির জাগরণের প্রত্যয় সবার।
বীরের জাতি হিসেবে বিশ্বমানচিত্রে বাঙালির আত্মপ্রকাশের দিন ১৬ ডিসেম্বর।
পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মাতৃভূমিকে মুক্ত করার যুদ্ধজয়ের আনন্দ— এই বিজয় সার্বজনীন। এই বিজয় বাঙালির। যাদের আত্মত্যাগে এই বিজয়, তাদের প্রতি শ্রদ্ধায় মাথানবত পুরো জাতি।
যার যার অবস্থান থেকে স্বতস্ফূর্তভাবে শহীদের শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন বিজয়ের আনন্দে মেতে ওঠা জনতা।
পরাধীনতা থেকে মুক্তির পাশাপাশি শহীদদের স্বপ্ন ছিল বাংলার অর্থনৈতিক মুক্তির। সেই মুক্তির পথে সঠিক পথেই আছে দেশ, এমনই ধারনা শ্রদ্ধা জানাতে আসা লোকজনের।
মুক্তিযুদ্ধের শহীদের দেশে রাজাকার-আলবদরের ঠাই নেই। তাই জীবনের প্রতিটি কর্মে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের
তবে বৈষম্য আর অধিকারের প্রশ্নে আক্ষেপও আছে অনেকের।
পাকিস্তান যেমন দমিয়ে রাখতে পারেনি, তেমনি কোনো শক্তিই এ জাতিকে রুখতে পারবে না এগিয়ে যাওয়া থেকে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষী করে এমন প্রত্যয় যেন সবার।