আসছে নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার আশঙ্কা করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।
বিগত নির্বাচনগুলোতে সহিংসতার উদাহরণ টেনে তারা বলেন, এবারও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে দেশ টিভি, ভোরের কাগজ এবং এএলআরডি আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন তারা।
আলোচনায় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের সকলকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ওইসব ঘটনার দ্রুত বিচার শেষ করতেও প্রশাসনের প্রতি তাগিদ দেন বক্তারা।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোল টেবিল আলোচনার আয়োজন করে দেশটিভি ও ভোরের কাগজ এবং এএলআরডি। ভোরের কাগজ কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনায় আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সঞ্জিব দ্রং, কাজল দেবনাথ ও গৌতম দেওয়ান।
পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, একদিকে একাত্তরের পরাজিত শক্তি অন্যদিকে রাজনীতির সমীকরণ যুক্ত হয়ে বার বার নির্যাতনের টার্গেট হয় ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী।
আর এ সব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায়, বার বার সহিংসতা হতে থাকে— এর জন্য সরকারকেই দায়ী করছেন রানাদাশগুপ্ত ও ব্যারিস্টার সারা হোসেন।
আর মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল সংখ্যালঘু কিংবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে কোনো ধরনের সহিংসতার শিকার না হতে পারে সেজন্য সামাজিকভাবে সচতেনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবং সকল শ্রেণি পেশার মানুষ যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি সকলের পরামর্শ।