একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে তৎপর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এ নির্বাচনকে ঘিরে বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা— এজন্য ব্যবহৃত হতে পারে ধর্ম।
বক্তরা বলেন, পাশাপাশি সব ধরণের গুজব ঠেকাতেও নজরদারির তাগিদ তাদের।
দেশের ২৬টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত "ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম" আয়োজিত সেমিনারে উঠে আসে এসব কথা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান বলেন, ভোট কেন্দ্র করে নির্বাচন শেষে বড় ধরনের সহিংসতা হতে পারে। আর সহিংসতায় ব্যবহৃত হতে পারে ধর্ম।
আর এ সহিংসতা মোকাবেলায় নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বক্তারা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক আব্দুর রশিদ বলেন, নির্বাচনকে পর্যবেক্ষকরাও প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। সেক্ষেত্রে কারা কোথা থেকে পর্যবেক্ষণ করবেন, সে বিষয়েও দৃষ্টি রাখতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি পরামর্শ তার।
একই কথা বলেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।
নির্বাচনে পর্যবেক্ষক থাকা জরুরি বলে মনে করছেন জানিপপের প্রধান নাজমুল হক কলিমুল্লাহ।
তবে এবার তরুণ ভোটার ও নারী ভোটারদের প্রতি গুরুত্ব দেয়ার তাগিদ দেন অনেকে।
আর মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক বলেন, সহিংসতামুক্ত নির্বাচন এবং মানুষ যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে বিষয় নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে।
নির্বাচনের পরেও সংঘাত হতে পারে সে আশঙ্কা প্রকাশ করে সকলেই প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়ার তাগিদ দেন বক্তারা।