রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে এবারও উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিতে পরিপূর্ণ—তবে এখানে নেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট কোনো কর্ম পরিকল্পনা।
কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহার কেমন, সে মূল্যায়ন করতে রোববার সকালে রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন।
সুজনের সংবাদ সম্মেলনে দলগুলোর সহিংসতার কথা উল্লেখ বলা হয়, এ পরিস্থিতিতে ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা সৃষ্টির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থার অভাব দেখা দিয়েছে।
এতে বলা হয়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যথারীতি অনেকটা আগের মতোই।
প্রধানমন্ত্রীর সময় নিরুপনসহ প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধের কথা বিএনপির ইশতেহারে তুলে ধরলেও এবার ঐক্যফ্রন্টের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যকর, আর বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের অঙ্গীকার ভিন্নতা এনেছে সিপিবি বলে জানান সুজনের সহযোগী সমন্বয়কারী নেছার আমীন।
ইশতেহার মূল্যায়নের পাশাপাশি সারাদেশ ঘুরে যে অভিজ্ঞতা পেয়েছেন তা তুলে ধরে সুজন সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, মানুষের মধ্যে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে কিনা, সে আতঙ্ক বিদ্যমান।
এই শঙ্কা দুর করতে না পারলে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন এখনো মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি বলে মনে করছে সুজন সভাপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তবে এবার যে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলো ব্যতয় ঘটাবে না এমনই প্রত্যাশা তাদের।