কাল বাদে পরশু নির্বাচন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তাই রাজধানীর ভোটকেন্দ্রগুলো থেকে শুরু রাস্তাঘাটের নিরাপত্তায় এসেছে বাড়তি তৎপরতা।
শুক্রবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের তল্লাশি চৌকিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি তৎপরতা লক্ষ করা গেছে। এছাড়া,ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটের সরজ্ঞাম না পৌঁছালেও চলছে পূর্বপ্রস্তুতি। সবকিছু ঠিক থাকলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করেছেন রাজধানীর ভোটাররা।
রাজধানীর রাস্তাঘাটগুলো এখনো পোস্টার-ব্যানারে সয়লাব থাকলেও শেষ হয়েছে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। তবে নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি তৎপরতা দেখা গেছে ঢাকার রাস্তাঘাটগুলোতে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোতেও শুরু হয়েছে পূর্ব প্রস্তুতি।
সকালে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় সেনাবাহিনী তল্লাশি চৌকি বসিয়ে প্রাইভেটকার থেকে শুরু করে সব ব্যক্তিগত গাড়ির মালামাল তল্লাশি করা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার ওপরে চলে এ অভিযান।
পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
নিরাপত্তা ও ভোটের সার্বিক পরিবশে নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করেছেন ঢাকার ভোটাররা।
এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সারাদেশে চলছে জোর প্রস্তুতি। নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সহিংসতা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল।
আসছে সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এর মধ্যেই গোপালগঞ্জে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের সবকটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন নিয়ে সব ধরনের সহিংসতা এড়াতে জামালপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে র্যা বের টহল বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শহরের বাইপাস মোড়, মির্জা আজম চত্বর, ফেরিঘাট এলাকায় তল্লাশি চালায় র্যা ব।