একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার সকালে গণভবন থেকে সেখানে যান তিনি।
ভোট প্রদান শেষে শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জয় হবে, নৌকার জয় হবে।
নৌকার বিজয় হবে বলে আশাবাদী ব্যক্ত করে আওয়ামী সভানেত্রী জোর দিয়ে বলেন, জনগণ স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির পক্ষে রায় দেবে, অব্যাহত থাকবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা।
তিনি বলেন, তিনি বলেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে বিএনপি-জামাত।
ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ফলাফল যাই হোক মেনে নেবে তার দল।
তিনি বলেন, ‘এদেশের দুখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে আমরা জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারবো এ বিশ্বাস আমার আছে। এজন্য দেশবাসীর কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। আজকে যে দেশ উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করেছে তা তারা অব্যাহত রাখবে। আমি মনে করি নৌকার জয় হবেই হবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’
ছোট বোন শেখ রেহানা, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে সকালে ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজে কেন্দ্রে ভোট দিতে আসনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভোটগ্রহণ শুরু হলে এ কেন্দ্রে প্রথম ভোট দেন তিনি।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা।
জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে বিএনপি-জামাত জোট।
আমরা আমাদের দলের ১০ জন নেতাকর্মীকে হারিয়েছি। বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীদল বলে উল্লখে করেন তিনি।
ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।
‘আমরা সহিংসতা চাই না, মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিবে, ভোটের অধিকার তাদের মৌলিক অধিকার প্রয়োগ করবে যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে বলে জানান শেখ হাসিনা।’
যে উন্নয়নের ধারা সূচনা হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জানান, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবেন তারা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সকাল ৮টার দিকে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট দেবেন শেখ হাসিনা।
রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
প্রতীক বরাদ্দের পর গত ১০ ডিসেম্বর সারা দেশে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়। প্রচারের সেই সুযোগ শেষ হয় শুক্রবার সকাল ৮টায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটেছেন প্রার্থীরা।