রাজধানীর মালিবাগ ডিআইটি সড়কে আবুল হোটেলের সামনে যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এবং বিচার দাবিতে সড়কে অবস্থান নিয়ে তাদের সহকর্মীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে দুর্ঘটনার পরপরই সড়কটি অবস্থান নেন শ্রমিকরা।
নিহত দুজন হলেন নাহিদ পারভীন পলি (২২) ও মিম (১৬)। তারা এম এইচ গার্মেন্টসের শ্রমিক। পলির বাড়ি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এবং মিমের বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায়। তারা ঢাকার মগবাজারের পূর্ব নয়াটোলায় ভাড়া থাকতেন।
শাহিদা নামে এক পোশাকশ্রমিক বলেন, আমাদের দুই পোশাক শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় অবরোধ করছিলাম। পরে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়ি-ভাঙচুর শুরু করে।
অবস্থানরত শ্রমিকরা এ ঘটনার বিচার এবং পুলিশের লাঠিচার্জেরও বিচার দাবি করেন।
তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, বাস দুর্ঘটনায় জড়িত চালক ও মালিকপক্ষকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যেসব পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে তদন্ত করে তাদেরও বিচার করা হবে।
এর আগে দুপুরে সদরঘাট থেকে গাজীপুরগামী সুপ্রভাত পরিবহনের ওই বাস ডিআইটি সড়কে আবুল হোটেলের সামনে নাহিদা পারভীন পলি (১৯) ও মিম (১৩) নামে দুই শ্রমিককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিমের মৃত্যু হয়। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় পলিকেও।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, দেড়টায় সুপ্রভাতের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মিমের মৃত্যু হলেও পলি হাসপাতালে মারা যান। বাসটি জব্দ ও তার চালককে আটক করা হয়েছে।