আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, জনপ্রশাসনমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ শনিবার সন্ধ্যায় আসছে।
শাহজালালা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ নেয়া হবে তার বেইলি রোডের বাসায়। রাতে রাখা হবে সিএমএইচের হিমাগারে।
আগামীকাল-রোববার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সৈয়দ আশরাফের। শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। পরে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে দু'দফা জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে মারা যান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, জনপ্রশাসমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
শনিবার সন্ধ্যায় আসছে তাঁর মরদেহ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা মরদেহ গ্রহণ করবেন।
বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টায় তাঁর সরকারি বাসভবন ২১ হেয়ার রোডের বাসায় নেয়া হবে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ। রাতে রাখা হবে সিএমএইচ হাসপাতালের হিমাগারে।
পরদিন সকাল সাড়ে ১০টায়, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় গার্ড অব অনার দেওয়া হবে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
পরে হেলিকপ্টারে করে বেলা ১২টায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার জন্মস্থান কিশোরগঞ্জে। সেখানে পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
বেলা ২টায় সৈয়দ আশরাফের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহে। সেখানে আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে তৃতীয় নামাজে জানাজা হবে।
এদিকে, শনিবার সকালে দলের যৌথসভায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্মরণে নীরবতা পালন করেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগি সংগঠনের নেতারা।
দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো বিষয়টি তদারক করছেন।
রোববার বিকাল সাড়ে ৪টায় বাদ-আসর, বনানী কবরস্থানে মা-বাবার কবরে সমাহিত করা হবে চার জাতীয় নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের জ্যৈষ্ঠ সন্তান সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে।