সৎ, সাহসী, শিক্ষিত, দক্ষ মুখ এবার মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাচ্ছে- এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্ত হবে তরুণ প্রজন্মও। আরো আসতে পারেন দল ও রাজনীতিতে স্বচ্ছ ভাবর্মূতির সংসদ সদস্যরা। সরকারি-বেসরকারি একাধিক সূত্র এ ইঙ্গিত দিয়েছে।
আগামীকাল-সোমবার অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিপরিষদের শপথকে ঘিরে ব্যস্ত সংশ্লিষ্ট জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য এবং আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
এবারের মন্ত্রিসভায় চমক থাকবে- এমন আভাস আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিভিন্ন সময় দিয়েছেন।
বিভিন্ন সূত্রেও জানা গেছে, এবার সৎ, সাহসী, শিক্ষিত, দক্ষ এবং দল ও রাজনীতিতে স্বচ্ছ ভাবমূর্তী রয়েছে এমন সংসদ সদস্যদের মন্ত্রিসভায় যুক্ত করতে চাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
একই সঙ্গে গত মেয়াদের মতো থাকতে পারে তারুণ্যের সম্পৃক্ততাও।
নিরঙ্কুশ ভোটে জয়ী হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সে অনুযায়ী সোমবার বিকাল ৩টায় বঙ্গবভনের দরবার হলে শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা।
আর সে শপথের আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করতে ব্যস্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
গতকাল-শনিবার ছুটির দিন হলেও সকাল থেকেই কর্মব্যস্ত সময় পার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নতুন মন্ত্রীদের জন্য নথি তৈরি, আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা তৈরি করে ফেলেছেন তারা।
এদিকে, সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব নাজমুল হক সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি টিম বঙ্গভবন পরিদর্শন করে। বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন তদারকি করা হয়।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবার চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হোন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটে জিতে ১২ জানুয়ারি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন।